• ১৬ কার্তিক ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৫ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Anis Khan

রাজ্য

আনিস-মৃত্যু তদন্তে রাজ্য পুলিশেই ভরসা হাইকোর্টের

ছাত্রনেতা আনিস খানের দ্বিতীয়বার ময়না তদন্তের রিপোর্টও ইতিমধ্যেই এসেছে বলে সূত্রের খবর। সেখানে আনিসের মৃত্যুর কারণ খুব স্পষ্ট নয় বলে সূত্রের দাবি। এরইমধ্যে সোমবার রাজ্য পুলিশের হাতে এই ঘটনার তদন্তভার রাখার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সিটই এই ঘটনার তদন্ত করবে। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা এদিন বলেন, আপাতত রাজ্য পুলিশ আনিসের মৃত্যুর তদন্ত করবে।অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ বিচারপতির, রাজ্যের পুলিশ পৃথিবীর কারও থেকে কম নয়, যদি কেউ তাদের বাধা না দেয়। নিজেদের প্রমাণ করার সময় এটা। তারাই এই ঘটনার তদন্ত করবে। আগামী একমাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৮ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি।এদিন আদালত জানিয়ে দিয়েছে, অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ ক্ষেত্র ছাড়া এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে না গেলে তদন্তের সময়সীমা বাড়ানো হবে না। একইসঙ্গে তদন্তকারীদের এক সপ্তাহের মধ্যে ফরেনসিক রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। স্বচ্ছতার সঙ্গে এবং কোনওভাবে প্রভাবিত না হয়ে তদন্ত করতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।

মার্চ ১৪, ২০২২
রাজ্য

আনিস খান হত্যায় দোষীদের শাস্তির দাবিতে বাম ছাত্র যুবদের মিছিল ঘিরে রণক্ষেত্র পাঁচলা! আটক বেশ কয়েকজন ছাত্র যুব

আনিস খানের মৃত্যুর ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবিতে পথে নামে বাম ছাত্র যুবরা। শনিবার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় হাওড়ার পাঁচলা। ইটবৃষ্টিতে আহত হন বেশ কয়েকজন। অভিযোগ, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন বিক্ষোভকারীরা। এদিন রানিহাটি থেকে পাঁচলায় পুলিশ সুপারের অফিস পর্যন্ত মিছিলের ডাক দিয়েছিল বাম ছাত্র সংগঠনগুলি। সেইমতো মিছিল পাঁচলায় পৌঁছতেই পরিস্থিতি ঘোরাল হয়ে ওঠে। পুলিশের ব্যারিকেডের বাধায় ক্ষোভের আগুন আরও তীব্র হয়। শুরু হয় ইটবৃষ্টি। অভিযোগ, পুলিশ সুপারের অফিসের সামনে যে পুলিশ কর্মীরা দাঁড়িয়েছিলেন তাঁদের লক্ষ্য করে ইট ছুড়তে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। এরপরই পাল্টা পুলিশও প্রতিরোধে নামে বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি। এদিকে, কলকাতার রাজপথেও আনিসের মৃত্যুর সুবিচার চেয়ে মিছিলে নামে সিপিএম। সামনের সারিতে পা মেলান বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্র।শুধু বাম ছাত্র নেতাই নন, বাইরে থেকেও বহু লোক এই মিছিলে যোগ দেন বলে দাবি ওঠে। তুলকালাম পরিস্থিতির মধ্যে একজন অসুস্থও হয়ে পড়েন। রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন তিনি। এই ইট বৃষ্টির ঘটনায় একাধিক ছাত্র নেতা জখম হন বলে জানা গিয়েছে। একইভাবে আহত হয়েছেন একাধিক পুলিশ কর্মীও। এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের সেল ফাটায় বলে অভিযোগ ওঠে। আনিস খানের মৃত্যু রহস্যের উন্মোচনের দাবি নিয়ে যে প্রতিবাদ মিছিল এদিন পাঁচলায় শুরু হয়, মুহূর্তে তা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। বাম ছাত্রনেত্রী মীনাক্ষি মুখোপাধ্যায়কে মিছিল থেকে আটক করে পুলিশ। টানতে টানতে তাঁকে পুলিশ সুপারের অফিসের ভিতর নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ঘিরে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে জাতীয় সড়ক।এরপরই বিশাল পুলিশ বাহিনী নামানো হয় রাস্তায়। শুরু হয় লাঠিচার্জ বলে অভিযোগ। বিক্ষোভকারীরা হাওড়া গ্রামীণ পুলিশের পাইলট গাড়িতে ভাঙচুর চালায়। এমনকী তাতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী এতে জখমও হয়েছেন বলে খবর।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
রাজ্য

অনির্দিষ্টকালের ছুটিতে পাঠানো হল আমতা থানার ওসিকে

আমতা থানার ওসি-কে বৃহস্পতিবার অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হল। ঘটনাচক্রে, বৃহস্পতিবার সকালেই ওসি-র গ্রেপ্তারের দাবিতে আমতা থানায় তুমুল বিক্ষোভ দেখায় আনিসের পরিবার ও পড়শিরা। পুলিশ সূত্রে খবর, এ বার আমতা থানায় ওসি-র দায়িত্বে এলেন কিঙ্কর মণ্ডল।বৃহস্পতিবার আমতায় ছাত্রনেতা আনিস খানের বাড়ি থেকে মিছিল করে আমতা থানা পর্যন্ত যান তাঁর পাড়া প্রতিবেশীরা। থানার বাইরে ব্যারিকেড ভেঙে বিক্ষোভ দেখান। পরে সেখানেই বিক্ষোভকারীদের উপস্থিতিতে নিজের দাবি জানান আনিসের বাবা সালেম। একটু উঁচু জায়গায় দাঁড়িয়ে মাইক্রোফোন হাতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, আমি ওসিকে গ্রেপ্তার করার জন্য, সিবিআই তদন্ত করার জন্য, পঞ্চায়েত প্রধান এবং উপপ্রধানকে গ্রেপ্তার করার দাবি জানাচ্ছি। এর পরেই আমতা থানার ওসি-তে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হল।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
রাজ্য

আনিস হত্যায় সিটের হাতেই তদন্তভার বহাল রাখল হাইকোর্ট, দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ

আনিস হত্যা-কাণ্ডের তদন্তে সিটের উপরেই আস্থা রাখল কলকাতা হাইকোর্ট। পাশাপাশি, রাজ্যের দাবি মেনে ছাত্রনেতার দেহের দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিল আদালত। তবে তা হাওড়ার জেলা আদালতের বিচারকের তত্ত্বাবধানে হবে।শুক্রবার মধ্যরাতে হাওড়ার আমতায় আনিস খানের মৃত্যুতে রাজ্য জুড়ে বিক্ষোভের আবহে সোমবার স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ওই মামলা গ্রহণ করে উচ্চ আদালত। ওই মামলায় সোমবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা রাজ্যের থেকে তিন দিনের মধ্যে আনিসের মৃত্যুর ঘটনার রিপোর্ট চেয়েছিল। তার ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে আনিস-মামলার শুনানি ছিল। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় আদালতকে জানান, আনিস-কাণ্ডের তদন্তে যে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে, ওই সিটের সদস্যেরা প্রত্যেকেই অভিজ্ঞ। তাঁদের প্রত্যেকের সিআইডি-তে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এরই সঙ্গে তিনি জানান, ওই দলে বিভিন্ন ক্ষেত্রের আরও সাত জন রয়েছেন।এর পরেই বিচারপতি মান্থা জানান, আনিস-কাণ্ডের তদন্তে সিটের উপরেই আস্থা রাখা হচ্ছে। সেই সঙ্গে আনিসের দেহের দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্ত করা হবে। যার তত্ত্বাবধানে থাকবেন হাওড়া জেলা আদালতের বিচারক। দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের সময় ওই বিচারক বা তাঁর মনোনীত কোনও ব্যক্তিকে উপস্থিত থাকতে হবে।আদালতের তরফে জানানো হয়, তদন্তের স্বার্থে আনিসের পরিবারের থেকে মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করে হায়দরাবাদে পাঠানো হবে। সেখানে সেন্ট্রাল ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে মোবাইল ফোনটির পরীক্ষা করা হবে। মোবাইল পরীক্ষার সময় উপস্থিত থাকতে হবে ন্যাশনাল ইনফর্মেটিক সেন্টারের এক জন প্রতিনিধিকে। জেলা বিচারকদের পর্যবেক্ষণে মোবাইলের তথ্য বন্ধ খামে আদালতে জমা দিতে হবে। পাশাপাশি, এই মামলায় সাক্ষীদের নিরাপত্তা দিতে বলেছে আদালত। হাইকোর্টের নির্দেশ, সিটকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২২
রাজ্য

ওসির নির্দেশে গিয়েছিলাম, আমরা বলির পাঁঠা, দাবি ধৃত দুই পুলিশকর্মীর

ওসি-র নির্দেশ পেয়েই শুক্রবার রাতে ছাত্রনেতা আনিস খানের বাড়িতে গিয়েছিলেন, জানালেন আনিস-হত্যা মামলায় জড়িত সন্দেহে ধৃত দুজন পুলিশকর্মী। তাঁদের দাবি, গোটা ঘটনাটিতে তাঁদেরকে বলির পাঁঠা করা হচ্ছে। আসলে আনিস-হত্যার আগুনে জল ঢালা হচ্ছে এই ভাবে।বুধবারই আনিস-হত্যায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয়েছে হোমগার্ড কাশীনাথ বেরা এবং সিভিক ভলান্টিয়ার প্রীতম ভট্টাচার্যকে। বৃহস্পতিবার আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁরা জানান, শুক্রবার আনিসের বাড়িতে গেলেও আনিসের মৃত্যু কী ভাবে হয়েছে তা তাঁদের জানা নেই। তাঁদের প্রশ্ন করা হয়েছিল, কেন সেই রাতে আনিসের বাড়িতে গিয়েছিলেন তাঁরা? কেউ কি তাঁদের যেতে বলেছিল? জবাবে ধৃত দুই পুলিশকর্মী জানান, তাঁরা ছাত্রনেতার আমতার বাড়িতে গিয়েছিলেন ওসি-র নির্দেশে। এই ওসি আমতা থানার ওসি কি না তা অবশ্য ধৃতরা জানাননি।এখানেই শেষ নয়, সরাসরি ওসি-র বিরুদ্ধে নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ করেন তাঁরা। এই বিষয়ে আনিস খানের দাদা সাবির খান বলেন, আমরা এজন্যই প্রথম থেকে বলছিলাম পুলিশ নাটক করছে। এই নাটক আমাদের পছন্দ হচ্ছে না। এ জন্য আমরা পুলিশকে মানি না। পুলিশকে পছন্দ করি না। সিটের উপর ভরসা নেই। আমরা সিবিআই চাইছি। ওসি-কে জিজ্ঞেস করুক। ওসি-কে তুলছে না কেন?

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২২
কলকাতা

আনিস-কাণ্ডে এখনই সিবিআই তদন্ত নয়, স্পষ্ট ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর

আনিস-হত্যার ঘটনায় নিজে থেকে সিবিআই তদন্তের পথে হাঁটবে না রাজ্য সরকার। হাওড়ার ছাত্রনেতার মৃত্যুর তদন্তে সোমবার যে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে, তারাই যে ঘটনার তদন্ত করবে, বুধবার তার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বুধবার এক সাংবাদিক বৈঠকে মমতা জানান, যে দুজন পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই সঙ্গে মমতা বলেন, আমরা চাই নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। অভিযুক্ত পুলিশকর্মীরা যাতে তদন্তে প্রভাব খাটাতে না পারে, তার জন্যই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত নিরপেক্ষই হবে। আইন আইনের পথে চলবে। আমি তদন্তে কোনও হস্তক্ষেপ করতে চাই না। কিন্তু পাশাপাশিই সিবিআই তদন্ত নিয়ে রাজ্যের অনীহার কথা বুঝিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট যে, সিবিআই-কে তদন্তভার দিলেই তারা দোষীদের খুঁজে বার করতে পারবে, তেমন নয়।উল্লেখ্য, ছাত্রনেতা আনিস খানের রহস্যমৃত্যুতে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করেছে রাজ্য সরকার। দুই পুলিশকর্মীকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। কিন্তু তার পরেও সিট-এর উপর ভরসা রাখতে পারছেন না আনিসের পরিবারের সদস্যেরা। ছাত্রনেতার মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনে তাঁরা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অর্থাৎ সিবিআইয়ের উপরেই ভরসা রাখছেন। সেই সঙ্গে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন বামেরা। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী এদিন বুঝিয়ে দিয়েছেন, সিবিআই তদন্তের দাবি রাজ্য সরকার মানবে না। উল্টে এ ব্যাপারে বরং বামেদের এক হাত নিয়েছেন মমতা। নন্দীগ্রাম থেকে শুরু করে বাম জমানায় একের পর এক ঘটনায় যে কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি সেই প্রসঙ্গ তুলেছেন। সেই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ছবি খারাপ করার চেষ্টাও হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
রাজ্য

ছেলে কোনওদিন তৃণমূল করতো না, মুখ্যমন্ত্রী মিথ্যাচার করছেন, সোচ্চার আনিসের বাবা সালেম খান

আনিস খান হত্যাকাণ্ডে যখন উত্তাল কলকাতা, সেই সময় একটি ভিডিও বার্তায় আনিসের বাবা সালেম খান স্পষ্ট জানান মুখ্যমন্ত্রী সঠিক কথা বলছেন না। তিনি আবেগের বশে এইসব বলছেন। আনিস কোনওদিন তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে ছিল না। তিনি স্পষ্ট ভাষাতে বলেন, আনিস ছাত্র যুব আন্দোলনের ছেলে, আনিস আইএসএফের ছেলে। আনিস কোনওদিন তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে ছিল না।তিনি স্পষ্ট বলেন, আনিস যদি তৃণমূল কংগ্রেসের ছেলে হতো তাহলে এভাবে তাকে মরতে হতো না। আনিসের উপরে পসকো মামলা হতো না। তিনি বলেন, উলুবেড়িয়াতে যখন একজন ছাত্রীকে স্কুল থেকে কলেজে ভর্তি করতে গেল আনিস। তখন উলুবেড়িয়ার মানিক সরকারের তা ভালো লাগে নি। মানিক সরকারের ছেলে আনিসকে মারধর করে হাসপাতালে পাঠায়। এরপর আনিসকে মারধর করার জন্য প্রায় দুই হাজার ছেলে বাগনান থানা ঘেরাও করে। মানিক সরকার চক্রান্ত করে একজন নাবালিকাকে দিয়ে আনিসের বিরুদ্ধে পসকো ধারায় মামলা করে।তিনি আরও দাবি করেন, আনিসকে যখন মারধর করে ফেলে রেখে গিয়েছিল তখন কোনও তৃণমূলের নেতা আসেনি সাহায্যের জন্য। সেই সময় স্থানীয় তৃণমূলের নেতাদের কাছে ঘুরে বেরিয়েছিলাম। কেউ সাহায্য করেনি। আজকে তারা এসে বলছে নবান্নে যেতে হবে। কেন তাদের কথা শুনবো? তিনি আরও বলেন, আজ যখন আনিস নেই, তাঁর মুখ এবার খুলবে। তিনি আর কাউকে ভয় পান না। তিনি আবার দাবি করেন, সিবিআই ছাড়া তার কারও উপরে ভরসা নেই। তিনি তার ছেলের মৃত্যুর তদন্ত সিবিআইকে দিয়েই করাতে চান।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
কলকাতা

আনিস-কাণ্ডে উত্তাল কলকাতা, শাস্তির দাবিতে পথে আলিয়া-র পড়ুয়ারা, পা মিলিয়েছে যাদবপুরও

আনিস-কাণ্ডের জেরে কলকাতায় ধুন্ধুমার। আনিস মৃত্যু-রহস্যকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ কলকাতার রাজপথ জুড়ে। জায়গায় জায়গায় ছাত্রনেতা আনিসের মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভে শামিল হয়েছেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা। রাস্তায় নেমেছে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়-সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পড়ুয়ারা। তিন দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও কিনারা হয়নি আনিস মৃত্যু-রহস্যের। অধরা অভিষুক্তরাও। তাই অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার করে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়ার দাবিতেই রাস্তায় নেমেছেন পড়ুয়ারা।কলেজ স্ট্রিটে গার্ডরেল সরিয়ে মিছিল এগোনোর চেষ্টা করে পড়ুয়ারা। বাধা দিলে পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ আন্দোলনকারীদের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে র্যা ফ নামানো হয়। আনা হয় জলকামান। বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।আনিস-কাণ্ডের প্রতিবাদে মিছিল করে মহাকরণ অভিযানে নেমেছে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। এই মিছিল নবান্নের দিকে যেতে পারে আশঙ্কা করে পার্ক সার্কাসেই পড়ুয়াদের আটকে দেয় পুলিশ। ডোরিনা ক্রসিং-এ পড়ুয়াদের আটকাতে ত্রিস্তরীয় ব্যারিকেড দিয়ে আগে থেকেই তৎপর হয় পুলিশ। কিন্তু তার আগেই পার্ক সার্কাসে পুলিশি প্রতিরোধের মুখে পড়েন পড়ুয়ারা। পথ আটকানোর কারণে পার্ক সার্কাস-এ পৌঁছে রাস্তায় শুয়ে পড়ে স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভও দেখান পড়ুয়ারা। মল্লিক বাজার, মৌলালি হয়ে মহাকরণের দিকে যাওয়ার কথা এই মিছিলের। এই মিছিলের ফলে তীব্র যানজটের মুখেও পড়েন নিত্যযাত্রীরা।আনিস খানের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তোলপাড় গোটা বাংলা। অভিযুক্তদের হদিশ পেতে গঠন করা হয়েছে সিট। এরই মাঝে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের মহাকরণ অভিযানকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল খাস কলকাতা। মঙ্গলবার দুপুরে পূর্বসূচি অনুযায়ী পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট থেকে মিছিল শুরু করে আন্দোলনকারীরা। আনিস কাণ্ডের বিচারের দাবিতে বহু পড়ুয়া সামিল হন অভিযানে। ছিলেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। প্রথমে মৌলালিতে পুলিশি বাধার মুখে পড়েন আন্দোলনকারীরা। সেখানে পুলিশের সঙ্গে শুরু হয় বচসা। পরবর্তীতে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। মৌলালি হয়ে ডোরিনা ক্রসিংয়েরর দিকে আসার কথা ছিল মিছিলটির। সেখানে জলকামান নিয়ে প্রস্তুত ছিল পুলিশ।ডোরিনা ক্রসিং-এর পাশাপাশি এসএন ব্যানার্জি রোডেও ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা ঘিরে রাখে পুলিশ। মিছিলে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে তা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ইতিমধ্যেই প্রচুর পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। সাউথ-ইস্ট ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ নিজে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত আছেন।পাশাপাশি আনিস মৃত্যুর প্রতিবাদে উত্তপ্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরও। মঙ্গলবার এসএফআই-এর ডাকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অরবিন্দ ভবনের কাছে আন্দোলনে শামিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। আন্দোলনে নেমে দফায় দফায় তৃণমূল সংগঠনের ছাত্র এবং কর্মীদের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়ান আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা। পরিস্থিতি ক্রমশই উত্তাল হচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
রাজ্য

আনিস হত্যাকাণ্ডে সাসপেন্ড আমতা থানার তিন পুলিশ কর্মী

আনিস মৃত্যুরহস্যের তদন্ত চলাকালীন সাসপেন্ড করা হল আমতা থানার দুই পুলিশ কর্মীকে। পাশাপাশি বসিয়ে দেওয়া হয়েছে এক জন হোমগার্ডকেও। কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে এই দুই পুলিশ কর্মীকে সাসপেন্ড এবং এক পুলিশ কর্মীকে বসিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিল প্রশাসন। সাসপেন্ড হওয়া পুলিশ কর্মীদের মধ্যে এক জন এ এস আই এবং এক জন কনস্টেবল রয়েছেন। এই পুলিশ কর্মীরা হলেন, এএসআই নির্মল দাস, কনস্টেবল জিতেন্দ্র হেমব্রম এবং হোমগার্ড কাশীনাথ বেরা।জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন রাতে এই পুলিশ কর্মীরা এলাকায় টহলদারির দায়িত্বে ছিলেন। নিয়ম মেনে সই করেই নিজেদের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়েই তাঁরা টহলে বেরিয়েছিলেন বলেও জানা যাচ্ছে। তদন্ত চলাকালীন এই পুলিশ কর্মীরা থাকলে তদন্তে প্রভাব পড়তে পারে। তাই স্বচ্ছ তদন্ত-র স্বার্থেও দুই পুলিশ কর্মীকে সাসপেন্ড করা হল এবং এক জনকে বসিয়ে দেওয়া হল বলেই জানা যাচ্ছে।জানা গিয়েছে, আনিস খান হত্যাকাণ্ডের মতো স্পর্শকাতর ঘটনার তদন্তে একটুও গাফিলতি করতে চাইছে না সিট। তাই দায়িত্ব হাতে পেয়ে সোমবার রাত ১০টা নাগাদ আমতা থানায় পৌঁছন মিরাজ খালিদ ও ধ্রুবজ্যোতি দে। তাঁরা প্রায় আড়াইটে পর্যন্ত পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন, ঘটনার দিন নানা তথ্য সংগ্রহ করেন। মঙ্গলবার সেখানে যাওয়ার কথা সিটের প্রধান এডিজি, সিআইডি জ্ঞানবন্ত সিংয়ের। তবে এদিন সকালে আমতা থানার ৩ পুলিশ কর্মীকে সাসপেনশনের ঘটনায় পুলিশের প্রতি সন্দেহ আরও দৃঢ় হচ্ছে। জানা গিয়েছে, ওইদিন রাতে আমতা থানার ডিউটিতে ছিলেন এই তিনজন। তবে কি তাঁরাই আনিসের বাড়িতে গিয়েছিলেন? এই প্রশ্নও কিন্তু উঠে আসছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
কলকাতা

আনিস খান হত্যাকাণ্ডে সিট গঠন

ছাত্র নেতা আনিস খানের মৃত্যু ঘিরে কার্যত তোলপাড় হচ্ছে রাজ্য রাজনীতি। ঘটনার পর আড়াই দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত পুলিশ কোনও অভিযুক্তকে ধরতে পারেনি। এদিকে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে তাতে হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। নিরপক্ষে তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরই সাংবাদিক বৈঠকে বসেন রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্য। বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন এবং তাঁর নির্দেশ মতো আমরা একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনও করে নিয়েছি। তিন সদস্যের ওই বিশেষ তদন্তকারী দলের নেতৃত্বে থাকবেন জ্ঞানবন্ত সিং। এর পাশাপাশি ডিআইজি (সিআইডি অপারেশন) মিরাজ খালিদ এবং ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার ধ্রুবজ্যোতি দে।প্রাথমিকভাবে এই তিন সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দলের নাম ঘোষণা করলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্য। এ ছাড়া তিনি এও জানিয়ে দিয়েছেন, এই বিশেষ তদন্তকারী দলের সদস্যরা যদি মনে করেন তদন্তের স্বার্থে আরও কাউকে এই দলে রাখা প্রয়োজন, তাহলে তাঁরা পুলিশ ফোর্সের থেকে তাঁদের পছন্দমতো নাম যোগ করতে পারেন। মুখ্যমন্ত্রী যে কথা নবান্নের সাংবাদিক বৈঠক থেকে বলেছিলেন, সেই একই কথা আবারও শোনা গেল ডিজির গলায়। বলেন, আমরা চাই ন্যায়বিচার হোক। মুখ্যমন্ত্রীও সেই নির্দেশই দিয়েছেন। আমাদেরকেও সেই মতোই বলা হয়েছে। আমাদের কী করণীয়, তা আমাদের কাছে পুরো পরিষ্কার। যারা দোষী, তাদের কোনওভাবেই রেয়াত করা হবে না। তাদের অবশ্যই ধরতে হবে এবং তাদের শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
কলকাতা

আনিস খান হত্যা মামলা এবার হাইকোর্টে

ছাত্রনেতা আনিস খান হত্যাকাণ্ডের জল গড়াল কলকাতা হাইকোর্টেও। রহস্যমৃত্যুর আসল কারণ কী, তা জানতে স্বতঃপ্রণোদিত মামলার আরজি জানিয়ে হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন আইনজীবী কৌস্তুভ বাগচি। দুপুর ২টোয় লিখিত পিটিশন জমা দেওয়ার নির্দেশ বিচারপতি রাজাশেখর মান্থারের। এদিকে, ঘটনার তদন্তে আমতায় ছাত্রনেতার বাড়িতে পৌঁছন ডিএসপি ডিএনটি সুব্রত ভৌমিক। নিহতের বাবা সালাম খানের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এদিকে এই ঘটনায় এবার হস্তক্ষেপ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্ত্রী পুলক রায়ের মাধ্যমে আনিসের বাবাকে নবান্নে ডেকে পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার দুপুর তিনটে নাগাদ নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যাবেন আনিসের পরিজনেরা।সোমবার আনিসের বাড়িতে পৌঁছন ডিএসপি সুব্রত ভৌমিক। আমতা থানার ওসি দেবব্রত চক্রবর্তীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সেখানে রাজ্য সরকারের চাকরির প্রস্তাব তাঁর বাবাকে দেওয়া হয়। যদিও তিনি আগে বিচার চেয়ে বসেছেন। দুদিন কেটে গেলেও এখনও অধরা অভিযুক্ত। এই ঘটনায় হয়নি কেউই। উল্লেখ্য, সোমবার আনিসের বাড়িতে ভর্তি পুলিশ। আনিস আগে পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চেয়েছিলেন বলে পরিবারের দাবি। তিনি হুমকি পাচ্ছিলেন। পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টিতে কোনও গুরুত্বই দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

দিঘার মন্দিরের প্রসাদ বিতরণেও টেন্ডার দুর্নীতির অভিযোগ! তদন্তে নেমে কী পেল লালবাজার?

দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে প্রসাদ বিতরণ থেকে অমিতাভ বচ্চনের জন্মদিন পালনপর্যটন দফতরের একাধিক কাজের বরাত পেয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গে যুক্ত তিনটি সংস্থা। গত পাঁচ বছরে এমন অন্তত ১৫০টি টেন্ডারের খোঁজ পেয়েছেন লালবাজারের গোয়েন্দারা। অভিযোগ, ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে ওই তিনটি সংস্থাকেই কাজের বরাত দেওয়া হয়েছে। পর্যটন দফতরের টেন্ডার নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে লালবাজারের বিশেষ তদন্তকারী দল।ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে দুর্গাপুজোর প্রবেশপত্র বিক্রির অভিযোগের পাশাপাশি এ বার পর্যটন দফতরের টেন্ডার নিয়েও তদন্ত শুরু হয়েছে। গোয়েন্দাদের প্রাথমিক দাবি, গত পাঁচ বছরে অন্তত ১৫০টি টেন্ডার পেয়েছে ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গে যুক্ত তিনটি সংস্থা। এই টেন্ডারগুলির মোট আর্থিক মূল্য কয়েকশো কোটি টাকা কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।লালবাজার সূত্রে খবর, বিভিন্ন সময়ে ব্যানার লাগানো, রেড রোডে কার্নিভালের আয়োজন, রাস্তা সাজানো, অমিতাভ বচ্চনের জন্মদিন পালন, দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে প্রসাদ বিতরণ এবং বিভিন্ন জায়গায় মিষ্টি বিলির মতো কাজের জন্য টেন্ডার দিয়েছিল পর্যটন দফতর। গোয়েন্দাদের দাবি, এই কাজগুলির অধিকাংশের বরাত পেয়েছে ওই তিনটি সংস্থা। সংস্থাগুলির সঙ্গে ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠদের যোগ রয়েছে বলেও দাবি তদন্তকারীদের। সেগুলির উপর প্রাক্তন মন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই তদন্তের মধ্যেই বুধবারও লালবাজারে হাজিরা দেননি ইন্দ্রনীলের মেয়ে আভেরি সেন। এর আগে মঙ্গলবারও তাঁকে তলব করা হয়েছিল। সে দিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে হাজিরা এড়ান তিনি। বুধবার ফের তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার তাঁকে আবার হাজির হতে বলা হয়েছে। এ বারও হাজির না হলে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ করা হতে পারে। প্রয়োজনে গ্রেফতারির কথাও ভাবা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।গোয়েন্দাদের দাবি, ইন্দ্রনীলের সংস্থার সঙ্গে তাঁর মেয়ের সংস্থার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকার লেনদেন হয়েছে। তাঁর স্ত্রী ও মেয়ের অ্যাকাউন্টেও কয়েক কোটি টাকা পাঠানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। পরে সেই টাকা আবার ইন্দ্রনীলের সংস্থায় ফিরে যায় কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এই আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরেই আভেরিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান তাঁরা।সূত্রের খবর, জেরায় ইন্দ্রনীল সেন দাবি করেছেন, দুর্নীতির বিষয়ে তাঁর স্ত্রী সব জানেন, তিনি নিজে কিছু জানেন না। এই বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করতে প্রয়োজনে তাঁর স্ত্রীকে ফের জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।পর্যটন দফতরের টেন্ডার সংক্রান্ত অভিযোগে তদন্ত আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে লালবাজার। এই মামলায় নতুন এমপিও আইন প্রয়োগ করা যায় কি না, তা নিয়েও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করছেন তদন্তকারীরা। তবে টেন্ডার বণ্টন বা আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে কোনও বেআইনি কাজ হয়েছিল কি না, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট হবে না।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

ইন্দ্রনীল সেনের গ্রেপ্তারির পর উধাও ছিলেন ‘ঘনিষ্ঠ’ শুভ, শেষ পর্যন্ত কোথা থেকে ধরল পুলিশ?

পুজোর পাস বিক্রির মামলায় গ্রেপ্তার হলেন ইন্দ্রনীল সেনের ঘনিষ্ঠ ধ্রুবজ্যোতি বসু ওরফে শুভ। তদন্তকারীদের দাবি, এই মামলায় তিনি অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত। ইন্দ্রনীল গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই পলাতক ছিলেন শুভ। তিনি ইন্দ্রনীলের সংস্থা মাস আর্ট-এর সচিব ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সম্প্রতি কলকাতা হাই কোর্টে তাঁর আগাম জামিনের আবেদনও খারিজ হয়ে যায়। বুধবার রাতে মধ্য কলকাতার পোদ্দার কোর্টের কাছ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে লালবাজারের বিশেষ তদন্তকারী দল।এই গ্রেপ্তারি নিয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, অভিযুক্তেরা কোটি কোটি টাকা চুরি করেছেন। ইন্দ্রনীলকে ডাকাত এবং ধ্রুবজ্যোতিকে নিকৃষ্টতম চোর বলে কটাক্ষ করেন তিনি।তদন্তকারীদের দাবি, পুজোর পাস বিক্রির পাশাপাশি সরকারি বিভিন্ন কাজের টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রেও অনিয়ম হয়েছে। পর্যটন কেন্দ্রের লজ সংস্কার, বইমেলা, গানমেলা এবং চলচ্চিত্র উৎসবের মতো সরকারি অনুষ্ঠানের কাজ ঘনিষ্ঠ সংস্থাগুলিকে পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এইভাবে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার বেশি কাটমানি নেওয়া হয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। তাঁদের অভিযোগ, সেই টাকা ইন্দ্রনীল নিজে এবং তাঁর আত্মীয়দের সংস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরানো হয়েছে।পুলিশের দাবি, মন্ত্রিত্বের প্রভাব খাটিয়ে ইন্দ্রনীল তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকটি সংস্থাকে সরকারি কাজের বরাত পাইয়ে দিতেন। আদালতে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত তিন জনের গোপন জবানবন্দি ইতিমধ্যেই নেওয়া হয়েছে।তদন্তে উঠে এসেছে মাস আর্ট সোসাইটি, গিডি ক্রিয়েশন, থার্ড আই ক্রিয়েশন এবং রূপকার নামে কয়েকটি সংস্থার নাম। অভিযোগ, বিভিন্ন মেলা ও অনুষ্ঠানের কাজের বরাত পেত এই সংস্থাগুলি। তদন্তকারীদের দাবি, একটি পর্যায়ে গিডি ক্রিয়েশন ৫৩ কোটি ৪৬ লক্ষ টাকার কাজের বরাত পেয়েছিল। থার্ড আই ক্রিয়েশন-এর হাতে যায় ৫০ কোটি ৩১ লক্ষ টাকার কাজ। অথচ নিয়ম অনুযায়ী, এই সংস্থার অনুষ্ঠান আয়োজনের আগের অভিজ্ঞতা ছিল না বলে অভিযোগ।অন্য দুটি সংস্থাকেও আলাদা খাতে প্রায় ৬০ কোটি টাকার কাজ দেওয়া হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, থার্ড আই ক্রিয়েশন ৩৬ কোটি ৯ লক্ষ ১৪ হাজার টাকার এবং রূপকার ৮ কোটি ২১ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকার কাজের বরাত পেয়েছিল।তদন্তকারীদের আরও অভিযোগ, গিডি ক্রিয়েশন থেকে সরাসরি ইন্দ্রনীলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা জমা পড়েছিল। কাজের বরাত পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে ইন্দ্রনীলের স্ত্রী ও মেয়ের অ্যাকাউন্টেও কাটমানির টাকা পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ। গিডি ক্রিয়েশন থেকে সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা এবং থার্ড আই ক্রিয়েশন থেকে ৬৬ লক্ষ টাকা মাস আর্ট-এর অ্যাকাউন্টে গিয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এ ছাড়া, গিডি ক্রিয়েশন থেকে ইন্দ্রনীলের মেয়ের অ্যাকাউন্টে ২২ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা পাঠানোর অভিযোগও রয়েছে।তদন্তকারীদের দাবি, মোট ২০টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এই লেনদেন হয়েছে। আদালতে পুলিশ জানিয়েছে, সরকারি কাজের বরাত পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে আরও বিপুল পরিমাণ কাটমানি লেনদেনের তথ্য সামনে আসতে পারে। সেই দিকেও তদন্ত চলছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

পাহাড়ে উঠতে পারবেন না সবাই? সান্দাকফু ভ্রমণে কী কড়া নিয়ম আনল জিটিএ?

সান্দাকফু ও ফালুটে বেড়াতে যাওয়ার আগে এ বার থেকে আরও সতর্ক হতে হবে পর্যটকদের। পাহাড়ে ওঠার আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং শারীরিক সক্ষমতার শংসাপত্র দেখানো বাধ্যতামূলক করল গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা জিটিএ। পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সান্দাকফু-ফালুট রুটে একাধিক নতুন ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। থাকছে অক্সিজেন সিলিন্ডার, প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম এবং জরুরি অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা।জিটিএ সূত্রে খবর, সান্দাকফু-ফালুট রুটের থাকুম ভ্যালি, সাবারগ্রাম এবং ফালুটে ট্রেকার ও সাধারণ পর্যটকদের জন্য রাতে থাকার জায়গায় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে পাঠানো হয়েছে অক্সিজেন সিলিন্ডার, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, পালস অক্সিমিটার এবং প্রাথমিক চিকিৎসার বাক্স। অসুস্থ পর্যটকদের দ্রুত পাহাড়ের নীচে নামিয়ে আনার জন্য মানেভঞ্জনে ২৪ ঘণ্টার জরুরি অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবাও চালু রাখা হয়েছে।শুধু সরঞ্জাম দেওয়াই নয়, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় হোমস্টে কর্তৃপক্ষ, গাড়িচালক ও গাইডদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে। ট্রেকিং রুট এবং ল্যান্ডরোভার সংগঠনের মাধ্যমে তাঁদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে জিটিএ। কোনও পর্যটক অসুস্থ হয়ে পড়লে কী ভাবে দ্রুত সাহায্য করতে হবে, তা শেখানো হচ্ছে তাঁদের।গাইড ও গাড়িচালকদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কোনও পর্যটকের তীব্র মাথাব্যথা, বমি ভাব, মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট কিংবা হাঁটতে অসুবিধা হলে তাঁকে আর উপরে উঠতে দেওয়া যাবে না। দ্রুত নীচে নামিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে হবে। পর্যটক ও স্থানীয়দের সাহায্যের জন্য মানেভঞ্জনে পর্যটক তথ্যকেন্দ্র এবং সান্দাকফুতেও বিশেষ কর্মী রাখা হয়েছে।জিটিএ-র পর্যটন বিভাগ এ বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেই নির্দেশ অনুযায়ী, সান্দাকফু ও ফালুটে ট্রেকিং করতে যাওয়া পর্যটকদের যাত্রা শুরুর আগে শারীরিক সক্ষমতার শংসাপত্র দেখাতে হবে। ল্যান্ডরোভারে যাঁরা সেখানে যাবেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য। শংসাপত্র না থাকলে মানেভঞ্জনের উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে। পরীক্ষায় কেউ পাহাড়ে ওঠার অনুপযুক্ত বলে বিবেচিত হলে তাঁকে আর উপরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।জিটিএ-র পর্যটন বিভাগের কর্তা দাওয়া গ্যালপো শেরপা জানিয়েছেন, পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।প্রসঙ্গত, দার্জিলিং জেলার সিঙ্গালিলা শৈলশিরায়, ভারত-নেপাল সীমান্তের কাছে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১২ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত সান্দাকফু ও ফালুট। ট্রেকিং কিংবা বেড়াতে গিয়ে উচ্চতার কারণে অক্সিজেনের অভাবে অনেক পর্যটক অসুস্থ হয়ে পড়েন। কখনও কখনও প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে। সেই বিপদ এড়াতেই পর্যটকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা থেকে জরুরি চিকিৎসাসব দিকেই নজর বাড়াচ্ছে জিটিএ।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
দেশ

‘প্রতিবাদের যুগ চলছে, আদালতে এলেন কেন?’ সংরক্ষণ মামলায় আবেদনকারীকে প্রশ্ন প্রধান বিচারপতির

প্রশ্নফাঁস থেকে ভোটচুরি, নির্বাচন ও এসআইআর নিয়ে দেশজুড়ে চলছে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ। এই আবহেই সংরক্ষিত বিধানসভা আসনে পরিবর্তনের দাবি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের এক ভোটার। শুনানির সময় তাঁকে প্রশ্ন করলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। আন্দোলনের পথে না হেঁটে তিনি আদালতে এলেন কেন, তা জানতে চান প্রধান বিচারপতি। তাঁর মন্তব্য, এটা প্রতিবাদ ও বিক্ষোভের যুগ। সম্ভবত আপনারও সেই পথ অনুসরণ করা উচিত ছিল। জবাবে আবেদনকারীর আইনজীবী জানান, তাঁদের প্রতিবাদ করার কোনও ইচ্ছা নেই। তা ছাড়া তাঁর গলাও ব্যথা।উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুর জেলার ১৯১-কাদিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার জগদীশ সিং এই মামলা করেছেন। তাঁর দাবি, ১৯৫২ সালের প্রথম নির্বাচন থেকে গত সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে কাদিপুর বিধানসভা আসনটি তফসিলি জাতির প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত। এই ব্যবস্থায় মাত্র চার-পাঁচটি পরিবার উপকৃত হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁর।জগদীশের দাবি, লোকসভা ও বিধানসভা আসনে তফসিলি জাতি এবং তফসিলি উপজাতিদের জন্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় অন্তর পরিবর্তন আনার ব্যবস্থা করা হোক। পঞ্চায়েত ও পুরসভা নির্বাচনে যেমন পর্যায়ক্রমে সংরক্ষিত আসন বদলের নিয়ম রয়েছে, বিধানসভা আসনের ক্ষেত্রেও তেমন ব্যবস্থা চালুর কথা বিবেচনা করার জন্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিক আদালত।আবেদনকারীর যুক্তি, সংরক্ষিত আসন পরিবর্তনের কোনও নির্দিষ্ট ব্যবস্থা না থাকায় সংবিধানের ১৪, ১৫ ও ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদের অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। তাঁর দাবি, এর ফলে ওই কেন্দ্রের ভোটারেরা প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সীমিত সুযোগ পান। কারণ, তাঁরা কেবল তফসিলি জাতির প্রার্থীদেরই ভোট দিতে পারেন।মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনের বেঞ্চে। শুনানিতে বিচারপতিরা জানান, ভোটদানের ক্ষেত্রে ভোটারেরা যে জাতপাতকেই একমাত্র গুরুত্ব দেন, এমনটা ধরে নেওয়া যায় না।বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রে ভোটারেরা প্রার্থীর ধর্ম বা জাতপাতের বদলে রাজনৈতিক দল এবং তাদের আদর্শ বিবেচনা করে ভোট দেবেন, সেটাই প্রত্যাশিত।তবে সংরক্ষিত আসনের ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে পরিবর্তন আনার দাবিতে হস্তক্ষেপ করতে রাজি হয়নি সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতির বেঞ্চ। ফলে আবেদনকারীর দাবি আপাতত আদালতের সমর্থন পেল না।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

‘মবোক্রেসি গণতন্ত্রের বিকল্প নয়’, কৃষ্ণনগরে দাঁড়িয়ে কাদের নিশানা করলেন শমীক?

কৃষ্ণনগরেও বিজেপির গণতন্ত্র বাঁচাও পদযাত্রা। বুধবার এই কর্মসূচিকে ঘিরে প্রতিবাদ মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে বিজেপি। উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। কৃষ্ণনগরের পোস্ট অফিস মোড়ে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে তথাকথিত ককরোচ পার্টির নেতাদের কুশপুতুল এবং আরশোলার প্রতীকী মূর্তি পোড়ান বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। দেশের অখণ্ডতা ও সংহতি নষ্ট করার চেষ্টা হচ্ছে, এই অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা।সমাবেশ থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন শমীক। তাঁর অভিযোগ, পরিবারতন্ত্র থেকেই দুর্নীতি ও স্বৈরাচারের জন্ম হয়। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতেও তার প্রভাব পড়েছে। তাঁর আরও দাবি, বিদেশি মদতে কিছু শক্তি দেশে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছে। টুকরে টুকরে গ্যাং-এর সদস্যেরা সাধারণ মানুষকে উস্কে দিয়ে বিশৃঙ্খলা ছড়াতে চাইছে।শমীকের কথায়, ভারতের গণতন্ত্রের ভিত অনেক গভীর। কোনও ভাবেই উচ্ছৃঙ্খল জনতার শাসন গণতন্ত্রের বিকল্প হতে পারে না। দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা সফল হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বলতে গিয়ে বাম ও কংগ্রেসকেও আক্রমণ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী শক্তি হিসেবে বাম ও কংগ্রেস কার্যত গুরুত্ব হারিয়েছে। তাঁর দাবি, ওই দুই দল তৃণমূলের কাছে নিজেদের সঁপে দিয়েছে। অন্যদিকে, জনসমর্থন হারিয়ে তৃণমূলও রাজনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশের রাজনীতিতে পরিবর্তন এসেছে বলেও দাবি করেন শমীক। তাঁর বক্তব্য, রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত উন্নয়ন এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানো। বাংলার মানুষ বোমা-বারুদের রাজনীতি চান না। তাঁরা চান শিল্প, কারখানা এবং কাজের সুযোগ। রাজ্যে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান না থাকায় বহু যুবককে কাজের খোঁজে অন্য রাজ্যে চলে যেতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।সমাবেশে নদিয়া উত্তর সাংগঠনিক জেলার জেলা কমিটির সদস্য অভিজিৎ দেবনাথও বক্তব্য রাখেন। তাঁর অভিযোগ, দেশের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেও কয়েক জন বিদেশি শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভারতকে অশান্ত করার ষড়যন্ত্র করছেন। এ ধরনের কাজ কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এবং বামপন্থীদের সমালোচনা করে অভিজিতের দাবি, জাতীয়তাবাদী ও সনাতনী সমাজ একজোট হলে দেশবিরোধী শক্তিকে বাংলা তথা দেশ থেকে সরাতে বেশি সময় লাগবে না।কৃষ্ণনগরের এই সমাবেশ থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, রাজ্যে সাধারণ মানুষের অধিকার এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার লড়াই চলবে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

বর্ষায় হারিয়ে গিয়েছিল মা কালীর মূর্তি, পুজোর আগে নদী থেকে কী ভাবে ফিরলেন মা?

বর্ষায় মন্দির থেকে হারিয়ে গিয়েছিল মা কালীর মূর্তি। পুজোর আগে সেই মূর্তিই ফিরে এল গ্রামে। সুন্দরবনের পুঁইজালীতে এই ঘটনায় খুশির আবহ তৈরি হয়েছে। মায়ের মূর্তি ফিরে পাওয়ায় আনন্দে মেতেছেন গ্রামবাসীরা। নতুন করে পুজোর প্রস্তুতি শুরু করেছে মন্দির কমিটি।ঘটনার সূত্রপাত রায়মঙ্গল নদীতে। মাছ ধরতে গিয়ে জালে মা কালীর একটি মূর্তি পান এক মৎস্যজীবী। মাধবকাটি গ্রামের বাসিন্দা বাবলু মণ্ডল সেই মূর্তিটি উদ্ধার করে নিজের গ্রামে নিয়ে যান। পরে গ্রামের একটি মন্দিরে সেটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। মূর্তি উদ্ধারের ঘটনার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন গ্রামের কয়েক জন যুবক।সেই ভিডিও দেখেই মূর্তিটি চিনতে পারেন সুন্দরবনের পুঁইজালী গ্রামের বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, নদী থেকে উদ্ধার হওয়া মূর্তিটি তাঁদের গ্রামের কালীমন্দিরের। বর্ষার সময় মন্দির থেকে সেটি হারিয়ে গিয়েছিল।এর পরেই মাধবকাটি গ্রামের বাসিন্দা ও মন্দির কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ করেন পুঁইজালীর বাসিন্দারা। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকেও জানানো হয়। মাধবকাটির মন্দির কমিটির সদস্যেরা নিজেদের মতো করে বিষয়টি খতিয়ে দেখেন। পুঁইজালী গ্রামের বাসিন্দারা মূর্তিটি তাঁদের বলে প্রমাণ দেওয়ার পর সেটি ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।মাধবকাটি মন্দির কমিটির এক সদস্য বলেন, আমরা মায়ের মূর্তিটি নদীতে পেয়েছিলাম। পুঁইজালী গ্রামের কমিটি দাবি করে, মূর্তিটি তাঁদের। বিষয়টি থানায় জানিয়েছিলাম। ওঁরা প্রমাণ দিয়েছেন। তাই আমরা মূর্তিটি তাঁদের হাতে ফিরিয়ে দিচ্ছি।পুঁইজালী পুজো কমিটির সদস্য উত্তম পাত্র বলেন, আমাদের প্রতিমা হারিয়ে গিয়েছিল। এখানকার মন্দির কমিটি ও প্রশাসন সেটি আমাদের ফিরিয়ে দিয়েছেন। পুঁইজালী কালীমন্দিরে মায়ের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হবে। মূর্তি ফিরে পেয়ে আমরা খুবই খুশি।পুজোর আগে হারানো মূর্তি ফিরে পাওয়ায় এখন আনন্দে মেতেছেন পুঁইজালীর বাসিন্দারা। মন্দিরে মায়ের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করে ধুমধাম করে পুজোর আয়োজন করতে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
দেশ

দুবাই থেকে ফিরতেই হবে টুলু মণ্ডলকে! ১৭ নভেম্বরের সময়সীমা বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট

দুবাই থেকে দেশে ফিরতেই হবে টুলু মণ্ডলকে। আগামী ১৭ নভেম্বরের মধ্যে ভারতে ফেরার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। তবে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। পাথর পাচার এবং সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে অভিযুক্ত টুলু বর্তমানে পরিবারকে নিয়ে দুবাইয়ে রয়েছেন।বীরভূমে পাথর পাচার ও সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে টুলু মণ্ডলের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছে জেলা পুলিশ। অভিযোগ, সরকারি কর্মীদের একাংশের সঙ্গে যোগসাজশ করে খনিজ পরিবহণের জন্য প্রয়োজনীয় ডিসিআর এড়িয়ে যেতেন তিনি। ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর ১০০ কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। সব মিলিয়ে সেই অঙ্ক প্রায় ৮৫০ কোটি টাকা বলে দাবি তদন্তকারীদের।এই মামলায় পুলিশের তৎপরতা বাড়তেই এলাকা ছেড়ে চলে যান টুলু। পরে তিনি দুবাইয়ে আশ্রয় নেন বলে জানা গিয়েছে। এ দিন সুপ্রিম কোর্টে তাঁর হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী মুকুল রোহতগি। তিনি জানান, আদালতের রক্ষাকবচ পেলে দেশে ফিরতে রাজি টুলু। তাঁর আরও অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ টুলুর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করছে।আদালতে সওয়াল করতে গিয়ে মুকুল বলেন, টুলু মণ্ডল দাউদ ইব্রাহিম নন। তিনি দেশের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা নিয়ে দুবাইয়ে বৈধ ব্যবসা করছেন।এর পরেই রাজ্য পুলিশের বক্তব্য জানতে চান বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি শী নাগুর বেঞ্চ। রাজ্য পুলিশের হয়ে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, টুলু দেশে ফিরলে আপাতত তাঁকে গ্রেফতার করা হবে না। তবে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চলবে।দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর ১৭ নভেম্বরের মধ্যে টুলুকে ভারতে ফেরার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি আদালত জানায়, ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। এই সময়ের মধ্যে পরবর্তী রক্ষাকবচের জন্য স্থানীয় আদালতে আবেদন করতে হবে টুলুকে।ফলে আপাতত দুবাই ছেড়ে দেশে ফিরতে হবে টুলু মণ্ডলকে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা পাথর পাচার ও রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগের তদন্ত চলবে। মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে সকলের।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বিগ বস বাংলায় ফিরতেই রাজবীরের চুমু! নন্দিনীকে নিয়ে এবার মুখ খুললেন সৌরভ দাসের মা

বিগ বস বাংলার দুর্গে ফিরলেন নন্দিনী দত্ত। তবে সাধারণ ভাবে নয়, ভূত জুলির সাজে। মঙ্গলবারের পর্বে তাঁকে দেখেই আবেগ ধরে রাখতে পারেননি রাজবীর। জড়িয়ে ধরে চুমুতে ভরিয়ে দেন নন্দিনীকে। কিন্তু তাঁদের এই ঘনিষ্ঠ আচরণ মোটেই পছন্দ হয়নি অভিনেতা সৌরভ দাসের মায়ের। তাঁর মতে, প্রেমেরও একটা সীমা থাকা উচিত। রাজবীর ও নন্দিনী সেই সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছেন।রবিবারের পর্বে সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, দর্শকদের ভোটে বিগ বস বাংলার দুর্গ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন নন্দিনী। সেই খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন রাজবীর-সহ অন্য প্রতিযোগীরা। দুর্গ ছাড়ার আগে প্রেমিকাকে চুমুতে ভরিয়ে দিয়েছিলেন রাজবীর। তবে পরে জানা যায়, নন্দিনী আসলে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়েননি। তাঁকে দুদিনের জন্য রাখা হয়েছিল গোপন ঘরে।মঙ্গলবার রাতে ভূত জুলির সাজে ফের মূল দুর্গে প্রবেশ করেন নন্দিনী। জানা যায়, বেশ কিছু বিশেষ ক্ষমতা নিয়ে ফিরেছেন তিনি। নন্দিনীকে দেখেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন রাজবীর। তাঁকে জড়িয়ে ধরে চুমু দিতে শুরু করেন। তাঁদের এই ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত ঘিরেই শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা।রাজবীর ও নন্দিনীর সম্পর্ক নিয়ে আগেও আপত্তি জানিয়েছেন অনেকে। খোদ সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে তাঁদের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এ বার এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন অভিনেতা সৌরভ দাসের মা। তাঁর কথায়, মিষ্টি প্রেম হতেই পারে। কিন্তু এটা একটা নোংরামির পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। চরম বাড়াবাড়ি হচ্ছে। সব কিছুর একটা সীমা থাকা উচিত। রাজবীর আর নন্দিনী সেই সীমাটাই পার করে গিয়েছে। শো দেখাই ছেড়ে দেব ভেবেছিলাম।বিগ বস বাংলার ঘরে রাজবীর-নন্দিনীর সম্পর্ক নিয়ে দর্শকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তাঁদের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে যেমন আলোচনা হচ্ছে, তেমনই শোয়ের পারিবারিক চরিত্র বজায় রাখা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal